সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
ট্রাম্পের চীন সফর
খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৪ আশ্বিন, ১৪৩৩
লোড হচ্ছে...
নিউজ লোড হচ্ছে...
ব্রেকিং:
কানাইঘাটে নব প্রতিষ্ঠিত দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ফ্যাসিস্ট নেতা একেএম ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে।ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় নেতানিয়াহু।টিআইএন ও কর নিয়ে আসছে নতুন সিদ্ধান্ত।ব্যাংকের ঋণ-আমানত সুদের হার বেঁধে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকনতুন পে স্কেলে থাকছে যেসকল সুবিধা।গোল্ডেন হার্ভেস্ট বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর।পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এস এম জাহাঙ্গীর আলম।সিলেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয় বাংলাদেশের।ছিনতাইকারীকে ঝাপটে ধরেছিলেন র‌্যাব সদস্য ইমন, বুকে ছুরকাঘাতে হত্যাসিলেটের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আলাদা নজর রয়েছে: এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীপৃথিবীর ৬টি দেশ যেখানে রাত হয় না – জানলে অবাক হবেন!নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলাবড় মুলধনী কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্তির আওতায় আনা হচ্ছে।সব হারিয়েও কেন মানুষ শেয়ারবাজার ছাড়ে নামুখোমুখি রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান: উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পুরো দেশতিন দিনের রাস্ট্রীয় সফর শেষে ট্রাম্প ফিরলেন আমেরিকা।বিএসইসি‘র চেয়ারম্যান কে হতে যাচ্ছেন ?নতুন আরেকটি ওয়াসা গঠনের সিদ্ধান্ত।ত্রয়োদশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন আসন থেকে কে নির্বাচিত হলেন‘রেপ করতে গেলে অজ্ঞান হয়ে যায়, পরে গলাটিপে হত্যা করি’

তিন দিনের রাস্ট্রীয় সফর শেষে ট্রাম্প ফিরলেন আমেরিকা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
তিন দিনের রাস্ট্রীয় সফর শেষে ট্রাম্প ফিরলেন আমেরিকা।

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে চীন ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। আজ শুক্রবার (১৫ মে) এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এক জমকালো বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বিদায়ী অনুষ্ঠানে লাল গালিচার দুপাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে মার্কিন ও চীনা পতাকা নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান কর্মকর্তারা।

আজ শুক্রবার ছিল ট্রাম্পের চীন সফরের তৃতীয় ও শেষদিন। সফরের শেষ করার অংশ হিসেবে আজ সকালে এক সময়ের রাজকীয় উদ্যান বেইজিংয়ের ঝোংনানহাই কমপ্লেক্সে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনায় বসেন ট্রাম্প।
 
এই ঝোংনানাহাই কমপ্লেক্স-এ ক্ষমতাসীন চীনা কম্যুনিস্ট পার্টি এবং স্টেট কাউন্সিল বা চীনের মন্ত্রসভার কার্যালয় অবস্থিত। জায়গাটি রাজধানীর বিখ্যাত প্রত্নস্থল ফরবিডেন সিটির সংলগ্ন এবং তিয়ানানমেন স্কোয়ারের কাছেই।
 
ট্রাম্পকে প্রাচীরঘেরা ঝোংনানহাই চত্বরে অবস্থিত শতবর্ষী বৃক্ষরাজি পরিদর্শনের এক বিরল সুযোগ দেয়া হয়। বাগানের কিছু গাছের বয়স এক হাজার বছরেরও বেশি যা দেখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রীতিমতো বিস্ময় প্রকাশ করেন।
 
ভিডিওতে দেখা যায়, শি জিনপিং নিজেই ট্রাম্পকে কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত এই কমপ্লেক্সের নান্দনিক বাগানপথ, লেকপাড়ের করিডর এবং ফুলে সাজানো বিভিন্ন অংশ ঘুরিয়ে দেখাচ্ছেন। এ সময় ট্রাম্প চীনা প্রেসিডেন্টকে প্রশ্ন করেন, অন্য বিদেশি নেতাদেরও কি এই কমপ্লেক্সে স্বাগত জানানো হয়?
 
 
জবাবে শি বলেন, ‘খুবই কম। শুরুতে আমরা এখানে সাধারণত কোনো কূটনৈতিক অনুষ্ঠান করতাম না। পরে কিছু আয়োজন শুরু হলেও সেটি এখনো অত্যন্ত বিরল। যেমন (রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট) ভ্লাদিমির পুতিন এখানে এসেছেন।’
 
এরপর জিনপিং ট্রাম্পকে ২৮০ বছর পুরনো একটি গাছ স্পর্শ করার আমন্ত্রণ জানান। ট্রাম্প তখন জবাব দেন, ‘ভালো। আমার পছন্দ হয়েছে।’ এরপর ট্রাম্প ও জিনপিং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন। পরে দুই দেশের প্রতিনিধিদল ব্যক্তিগত বৈঠকে অংশ নেয়।
 
গত বুধবার (১৩ মে) ট্রাম্পের চীন সফর শুরু হয়। তার এই সফরে রাজকীয় অভ্যর্থনা, কুচকাওয়াজরত সেনাদের উপস্থিতি, বিলাসবহুল নৈশভোজ এবং গোপন বাগানে ব্যক্তিগত ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। সফরকালে ট্রাম্প বারবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর প্রশংসা করেন এবং তার আন্তরিকতা ও ব্যক্তিত্বের কথা উল্লেখ করেন।
 
ট্রাম্প ও জিনপিংয়ের সবশেষ বৈঠক নিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুরে বেইজিং ত্যাগ করেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্কের জটিল সমস্যাগুলোর সমাধান হয়েছে, এমন কোনো তাৎক্ষণিক ইঙ্গিত মেলেনি। যদিও চীনা নেতা শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক আপাতত নতুন করে স্থিতিশীল হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
 
 
দুই দিনের বৈঠকে ইরান, তাইওয়ান ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা। এ সময় নিবিড় দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পাশাপাশি ছিল জাঁকজমকপূর্ণ ‘সফট ডিপ্লোম্যাসি’র প্রদর্শনও। প্রায় এক দশক পর বেইজিংয়ে দীর্ঘদিনের এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী নেতার মুখোমুখি বৈঠককে ঘিরে কূটনৈতিক উষ্ণতার বিশেষ আয়োজন দেখা যায়।
 

ট্রাম্প-শি বৈঠকে ইরান যুদ্ধের ছায়াবেইজিং সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের বৈঠকের ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে ইরান যুদ্ধ ইস্যু। আলোচনার আগে ধারণা করা হচ্ছিল, ট্রাম্প তার চীনা সমকক্ষকে ইরান সংকট সমাধানে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে রাজি করাতে পারেন।

 
ইরানের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক অংশীদার এবং দেশটির তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন বরাবরই যুদ্ধ চলাকালে নিজেকে শান্তির পক্ষের শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে।
 
বৃহস্পতিবার দুই নেতার মধ্যে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ইরান প্রসঙ্গ আলোচনায় আসে। তবে সফর শেষে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এমন কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি যে, তারা তেহরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের দাবির পক্ষে চাপ প্রয়োগ করবে। বরং দুই পক্ষের বক্তব্যে এখন পর্যন্ত ইঙ্গিত মিলেছে, শীর্ষ বৈঠকটি এ ইস্যুতে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি আনতে পারেনি।
 
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, শি জিনপিং ইরান সংকট সমাধানে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন এবং ইরানকে সামরিক সরঞ্জাম না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এনবিসি নিউজকে দেওয়া পৃথক সাক্ষাৎকারে জানান, ইরান সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র চীনের সহায়তা চায়নি।
 
হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, দুই দেশ একমত হয়েছে যে স্ট্রেইট অব হরমুজ অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে এবং ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না।
 
 
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শি জিনপিং ‘জলপথটিকে সামরিকীকরণের বিরোধিতা এবং এর ব্যবহারে টোল আরোপের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে চীনের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।’ পাশাপাশি চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি তেল আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
 
বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে নতুন জ্বালানি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, যেখানে ইরানি তেলের বড় ক্রেতা চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকেও তেল আমদানি বাড়াতে পারে। তবে ট্রাম্প-শি বৈঠক ইরান সংকটে বাস্তব কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। কারণ বেইজিং মূলত তাদের আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছে।
 
চীন ইতোমধ্যে একাধিকবার বলেছে, তারা শান্তি আলোচনায় সহায়তার জন্য যা সম্ভব করবে। গত মাসে শি জিনপিং স্ট্রেইট অব হরমুজে ‘স্বাভাবিক নৌ চলাচল বজায় রাখার’ আহ্বান জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে চীনের নীতিগত অবস্থান হলো, তারা সংঘাতে জড়িত কোনো দেশকে অস্ত্র সরবরাহ করে না।
 
বেইজিং ইরানের এই ঘোষণাকে সমর্থন করে যে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না, যদিও শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনার অধিকার ইরানের রয়েছে বলেও তারা মনে করে।
 
শুক্রবার সকালে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই যুদ্ধ কখনোই হওয়া উচিত ছিল না।’ একই সঙ্গে তারা দাবি করে, এ বিষয়ে চীনের অবস্থান ‘একেবারেই পরিষ্কার।’
 

অন্যদিকে ট্রাম্পও মনে হয় বুঝতে পেরেছেন, ইরানের ওপর বেইজিং কতটা চাপ প্রয়োগ করবে তার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফক্স নিউজে তিনি বলেন, ‘দেখুন, তিনি বন্দুক নিয়ে আসছেন না… গুলি ছুড়তেও আসছেন না।’ ইরানের ওপর শি জিনপিং প্রভাব খাটাবেন কি না জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি খুবই ভালো আচরণ করেছেন।’ 

কানাইঘাটে নব প্রতিষ্ঠিত দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ফ্যাসিস্ট নেতা একেএম ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
কানাইঘাটে নব প্রতিষ্ঠিত দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ফ্যাসিস্ট নেতা একেএম ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে।

নিজস্ব প্রতিবেদক, কানাইঘাট: সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সড়কের বাজার এলাকায় নব প্রতিষ্ঠিত সড়কের বাজার মহিলা কলেজ ও সড়কের বাজার ইউনাইটেড কলেজকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ, একটি পক্ষ বিভিন্নভাবে প্রতিষ্ঠান দুটির অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এমসি কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি এ কে এম ফজলুর রহমান বিভিন্ন মহলে প্রভাব খাটিয়ে বিশেষ করে সড়কের বাজার মহিলা কলেজের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। তাদের আরও দাবি, কিছু ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীকে ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।

স্থানীয়দের একাংশের ভাষ্য, সড়কের বাজার এলাকার মানুষের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুটি এলাকার উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠান চালু হলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।

এদিকে অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, সড়কের বাজার এলাকায় আগে থেকেই মালিক-নাহার মেমোরিয়াল একাডেমি পরিচালিত হওয়ায় নতুন দুটি কলেজ চালু হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি হতে পারে। এতে করে এই এলাকায় শিক্ষা বাণিজ্য বন্ধ হবার ভয়ে তিনি বিরোধিতা করছেন।

কলেজের দুটির অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করতে উক্ত কলেজের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন মিডিয়ায় মানহানিকর প্রচারণা চালাচ্ছেন। 
অভিযোগের বিষয়ে এ কে এম ফজলুর রহমানের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়ায় তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় নেতানিয়াহু।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় নেতানিয়াহু।

ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় নেতানিয়াহু।

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইসরাইলের রাজনীতিতে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবার তার রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি। আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনই নির্ধারণ করতে পারে চার দশকের বেশি সময়ের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ।

দুর্নীতির একাধিক মামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে সমালোচনার কারণে নেতানিয়াহু এখন দেশ-বিদেশে তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের লড়াই নয়, বরং নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অস্তিত্বেরও বড় পরীক্ষা।

নির্বাচনের আগে তার রাজনৈতিক অবস্থান আরও জটিল করে তুলেছে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাত। জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। এর পরপরই তেহরান ইসরাইল, উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ এবং হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা শুরু করে। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একই সময়ে উত্তরের সীমান্তে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে পূর্ণমাত্রার সংঘাতে জড়িয়ে রয়েছে ইসরাইল। ফলে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ পরিচালনার চাপে নেতানিয়াহুর সরকার কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহু এক ধরনের উভয়সংকটে পড়েছেন। একদিকে লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধের জন্য মার্কিন প্রশাসন তার ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। অন্যদিকে ইসরাইলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নাগরিক ইরান এবং তার আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ ও অভ্যন্তরীণ জনমতের এই বিপরীতমুখী অবস্থান তার জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিদেশনীতি ও যুদ্ধ পরিস্থিতির পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার আগে ও পরে গোয়েন্দা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতা তদন্তে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন গঠনে তার অস্বীকৃতি জনগণের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইসরাইলে অনেকের মতে, ৭ অক্টোবরের হামলা প্রতিরোধে সরকারের ব্যর্থতার দায় এখনো স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়নি। এর সঙ্গে দুর্নীতির মামলাগুলো যুক্ত হওয়ায় নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভাবমূর্তি আরও চাপে পড়েছে।

সব মিলিয়ে, আগামী অক্টোবরের নির্বাচন কেবল ইসরাইলের পরবর্তী সরকার নির্ধারণ করবে না; একই সঙ্গে এটি বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের ভবিষ্যৎও নির্ধারণ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

টিআইএন ও কর নিয়ে আসছে নতুন সিদ্ধান্ত।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
টিআইএন ও কর নিয়ে আসছে নতুন সিদ্ধান্ত।

টিআইএন ও কর নিয়ে আসছে নতুন সিদ্ধান্ত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সীমিত আয়ের মানুষের করের চাপ কমাতে আগামী দুই অর্থবছর (২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮) ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার পরিকল্পনা করছে সরকার। একই সঙ্গে ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব থেকেও সরে আসতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অর্থ বিল-২০২৬ সংসদে পাস হওয়ার আগেই এসব পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।গত ১১ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে অর্থ বিল উত্থাপন করেন।

প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব ছিল। বর্তমানে বছরে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত।ওই কর্মকর্তা জানান, ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবটি বাদ দেওয়া হতে পারে।

প্রস্তাবিত বাজেটে এ বিধান রাখা হলেও বিভিন্ন মহল এর বিরোধিতা করে। তাদের মতে, এ ধরনের বাধ্যবাধকতা আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে নিরুৎসাহিত করতে পারে এবং নতুন গ্রাহকদের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের মধ্যে (বিটুবি) লেনদেনে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপের প্রস্তাব অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এ ছাড়া সোনা বিক্রির ওপর মূলধনী লাভ কর (ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স) বর্তমান প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

প্রস্তাবিত অর্থ বিলে করদাতার রিটার্নে ঘোষিত সোনা, রুপা, গহনা, মূল্যবান পাথর, হীরা, মুদ্রা, ডিজিটাল মুদ্রা, শিল্পকর্ম, প্রাচীন নিদর্শন ও ক্লাব সদস্যপদ বিক্রি বা হস্তান্তর থেকে অর্জিত লাভের ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছিল।

এ ছাড়া ট্রেজারি বিল, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ডিবেঞ্চার, সুকুক, শরিয়াহভিত্তিক সিকিউরিটিজ এবং শেয়ার ও স্টক বিক্রির মূলধনী লাভের ওপরও ১৫ শতাংশ করের প্রস্তাব রয়েছে।

স্টক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম

আরেকটি সম্ভাব্য পরিবর্তন হলো, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং শুধু আইসিটি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের করপোরেট কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে।তবে আবাসন খাতের ডেভেলপারদের কর ব্যবস্থায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা নেই বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন।