সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
অরিয়ন ফার্মার বিনিয়োগকারীদের জন্য দুঃসংবাদ।
খুঁজুন
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১৫ আষাঢ়, ১৪৩৩
লোড হচ্ছে...
নিউজ লোড হচ্ছে...
ব্রেকিং:
নতুন পে স্কেলে থাকছে যেসকল সুবিধা।গোল্ডেন হার্ভেস্ট বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর।পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এস এম জাহাঙ্গীর আলম।সিলেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয় বাংলাদেশের।ছিনতাইকারীকে ঝাপটে ধরেছিলেন র‌্যাব সদস্য ইমন, বুকে ছুরকাঘাতে হত্যাসিলেটের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আলাদা নজর রয়েছে: এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীপৃথিবীর ৬টি দেশ যেখানে রাত হয় না – জানলে অবাক হবেন!নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলাবড় মুলধনী কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্তির আওতায় আনা হচ্ছে।সব হারিয়েও কেন মানুষ শেয়ারবাজার ছাড়ে নামুখোমুখি রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান: উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পুরো দেশতিন দিনের রাস্ট্রীয় সফর শেষে ট্রাম্প ফিরলেন আমেরিকা।বিএসইসি‘র চেয়ারম্যান কে হতে যাচ্ছেন ?নতুন আরেকটি ওয়াসা গঠনের সিদ্ধান্ত।ত্রয়োদশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন আসন থেকে কে নির্বাচিত হলেন‘রেপ করতে গেলে অজ্ঞান হয়ে যায়, পরে গলাটিপে হত্যা করি’সিলেটে চলন্ত ট্রেনে আগুন আতঙ্ক!অরিয়ন ফার্মার বিনিয়োগকারীদের জন্য দুঃসংবাদ।পুঁজিবাজারের জন্য একগুচ্ছ মেগা পরিকল্পনা নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেড কোম্পানিগুলোর সুখবর।

দায়-দেনা আর অনিয়মে জর্জরিত অরিয়ন ফার্মা

অরিয়ন ফার্মার বিনিয়োগকারীদের জন্য দুঃসংবাদ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
অরিয়ন ফার্মার বিনিয়োগকারীদের জন্য দুঃসংবাদ।

দায়-দেনা আর অনিয়মে জর্জরিত অরিয়ন ফার্মা

নিজস্ব প্রবতবেদকঃ ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেডের বিনিয়োগকারীদের অর্থ তছরুপের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দেউলিয়া, খেলাপি ঋণগ্রস্ত ও অধিকাংশ আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংকে কোটি টাকার অধিক ফিক্সড ডিপোজিট করেছে ওরিয়ন ফার্মা। এই অর্থ ওরিয়ন ফার্মা আদৌ ফেরত পাবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কাপ্রকাশ করছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে।

জানা গেছে, সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকার খেলাপি ঋণে জর্জরিত সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংকসহ পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করেছে। অধিকাংশ আমানতকারীর অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ব্যাংকগুলোকে একীভূত করা হয়।

তথ্য বিশ্লেষণে জানা গেছে, বিদায়ী বছরে (৩০ জুন ২০২৫) সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে ওরিয়ন ফার্মার ফিক্সড ডিপোজিট ছিল এক কোটি ১২ লাখ ২০ হাজার ৬১০ টাকা। আর ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে তা এসে দাঁড়িয়েছে এক কোটি ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৪০ টাকা। নয় মাসের ব্যবধানে খেলাপিগ্রস্ত সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে ওরিয়ন ফার্মার ফিক্সড ডিপোজিটের পরিমাণ বেড়েছে ছয় লাখ ৮৪ হাজার ২৩০ টাকা বা ৬ শতাংশ।

তথ্য বিশ্লেষণে আরও জানা গেছে, বিদায়ী বছরে ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করেছে ওরিয়ন ফার্মা। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে কোম্পানির লোকসান হয়েছে ২২ কোটি ১৩ লাখ ৯৪ হাজার ৩৮৬ টাকা। আর এর আগের বছরের একই সময় যা ছিল ৪ কোটি ১৩ লাখ ৭১হাজার ৬১০ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানির লোকসান বেড়েছে ১৮ কোটি ২২ হাজার ৭৭৬ টাকা বা ৪৩৫ শতাংশ।

এদিকে ওরিয়ন ফার্মার ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে দীর্ঘমেয়াদী ব্যাংক ঋণ বা লোনের পরিমাণ এসে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৬৫৮ কোটি ৩৩ লাখ ৩২ হাজার টাকা। ব্যবসায়িকভাবে তলানীতে যাওয়া ওরিয়ন ফার্মা তার এই বিশাল ব্যাংক ঋণ আদৌ পরিশোধ করতে পারবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সংশ্লিষ্টদের মনে।

কোম্পানিসূত্রে জানা গেছে, গত অর্থ বছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই,২৫-মার্চ,২৬) কোম্পানির Orion Pharma is mired in debt and irregularities. According to company sources, the revenue for the first nine months of the previous fiscal year (July 25-March 26) was 3.35 billion Taka. In contrast, the revenue for the first nine months of the current fiscal year has decreased to 2.28 billion Taka. This represents a decline of 1.07 billion Taka, or 32 percent, over the course of one year.  রেভেনিউ বা বিক্রয় রাজস্বের পরিমাণ ছিল ৩৩৫ কোটি ২০ লাখ ১০হাজার ৩৮৭ টাকা। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে তা এসে দাঁড়িয়েছে ২২৮ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার ৬১৮ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে বিক্রয় রাজস্ব কমেছে ১০৭ কোটি ৭ লাখ ২৯ হাজার ৭৬৯ টাকা বা ৩২ শতাংশ।

আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, গত অর্থ বছরের প্রথম নয় মাসে ৮১ কোটি ৭৫ লাখ ৭০ হাজার ৭৭৯ টাকা পাওয়ার জেনারেশন থেকে বিক্রয় রাজস্ব আসলেও চলতি অর্থ বছরের প্রথম নয় মাসে এই খাত থেকে কোনো বিক্রয় রাজস্ব আসেনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোম্পানির ব্যবসা আরও তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে

এদিকে, বিদায়ী বছরে কোম্পানি ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করেছে। চলতি অর্থ বছরেও এখন পর্যন্ত কোম্পানি লোকসান রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিদায়ী বছরের ন্যায় চলতি অর্থ বছরেও (২০২৫-২৬) ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা আসতে পারে কোম্পানির পক্ষ থেকে, এমনটাই ধারণা করছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

এসবব্যাপারে জানতে ওরিয়ন ফার্মার কোম্পানি সচিব মো. ফেরদৌস জামানকে একাধিকবার ফোন করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এমনকি ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইিস) মুখপাত্র আবুল কালাম শেয়ারবাজার নিউজকে বলেন, ওরিয়ন ফার্মার সামগ্রিক বিষয় খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেডের পরিশোধিত মূলধন ২৩৪ কোটি টাকা, যেখানে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মালিকানা রয়েছে ৪৭ শতাংশ, উদ্যোক্তা পরিচালকদের মালিকানা রয়েছে ৩১ দশমিক ৯৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মালিকানা রয়েছে ২০ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার রয়েছে দশমিক ১২ শতাংশ।

জামিল/

নতুন পে স্কেলে থাকছে যেসকল সুবিধা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
নতুন পে স্কেলে থাকছে যেসকল সুবিধা।

নবম পে স্কেল

স্টাফ রিপোর্টারঃ প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে স্কেলে নিম্ন আয়ের সরকারি কর্মচারী ও স্বল্প পেনশন পাওয়া অবসরপ্রাপ্তদের জন্য বড় ধরনের সুবিধা রাখার পরিকল্পনা করছে সরকার। নতুন বেতন কাঠামোয় আয় বৈষম্য কমিয়ে আর্থিক সুরক্ষা বাড়ানোর বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সূত্রগুলো বলছে, নতুন পে স্কেলে নিচের গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলক বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। অন্যদিকে উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে বেতন বৃদ্ধির হার অপেক্ষাকৃত কম হতে পারে। এতে বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈষম্য কিছুটা হলেও কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের মধ্যেও কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য বাড়তি সুবিধা বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যাদের মাসিক পেনশন ২০ হাজার টাকার নিচে, তাদের পেনশন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব আলোচনায় রয়েছে।

নীতিনির্ধারকদের মতে, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছেন নিম্ন আয়ের কর্মচারীরা। এ কারণে নতুন পে স্কেলে তাদের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

জানা গেছে, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুলিশ, মাঠ প্রশাসন ও বিচার বিভাগসহ সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নবম জাতীয় পে স্কেলের আওতায় আসবেন। পাশাপাশি স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ক্ষেত্রেও সমন্বিত নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে।

বর্তমানে চালু থাকা ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতাকে নতুন পে স্কেলের সঙ্গে সমন্বয় করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সব প্রক্রিয়া ঠিকভাবে এগোলে আগামী ১ জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির পরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।

গোল্ডেন হার্ভেস্ট বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
গোল্ডেন হার্ভেস্ট বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর।

শেয়ারবাজার প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান গোল্ডেন হারভেস্ট অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থের ব্যবহার সংক্রান্ত নিরীক্ষিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটি রাইট শেয়ার থেকে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ৭০ কোটি ১০ লাখ ১৭ হাজার ৮৮৯ টাকা বিভিন্ন খাতে ব্যয় করেছে। অন্যদিকে অব্যবহৃত অর্থের একটি বড় অংশ স্থায়ী আমানত (এফডিআর) হিসেবে বিনিয়োগ করা হয়েছে, যার পরিমাণ সুদসহ ২২২ কোটি ৪৩ লাখ ৭২ হাজার ৫৫৭ টাকা।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে জমা দেওয়া ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের নিরীক্ষিত রাইট ইস্যু অর্থ ব্যবহারের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাইট শেয়ারের মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ ব্যবহার করে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজার সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে কোম্পানিটি। নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান কে. এম. আলম অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানি রাইট ইস্যুর অর্থ নির্ধারিত খাতেই ব্যবহার করেছে এবং এ অর্থ ব্যবহারে বিএসইসির অনুমোদনের শর্ত অনুসরণ করা হয়েছে।

চার খাতে ব্যয় ৭০ কোটি টাকার বেশি

নিরীক্ষিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, রাইট ইস্যুর অর্থ থেকে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে। এ খাতে ব্যয় করা হয়েছে ২৯ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যা নির্ধারিত বরাদ্দের শতভাগ।

এছাড়া যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়ে ব্যয় করা হয়েছে ২৮ কোটি ৯১ লাখ ৩০ হাজার ৫০১ টাকা। ভূমি উন্নয়ন, সড়ক, কারখানা ভবন, ওয়্যারহাউস, বয়লার শেড, এলপিজি শেড, ডব্লিউটিপি শেডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৮ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৬৬৩ টাকা।


ইনস্টলেশন ও ইউটিলিটি সংযোগে ব্যয় হয়েছে ৮২ লাখ ১ হাজার ৩৫৮ টাকা এবং রাইট ইস্যু সংক্রান্ত খরচ বাবদ ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৪৮ লাখ ১৩ হাজার ৩৬৮ টাকা।

সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৭০ কোটি ১০ লাখ ১৭ হাজার ৮৮৯ টাকা।

প্রকল্পের বিভিন্ন খাতে অগ্রগতি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে ওয়্যারহাউস-১ নির্মাণের কাজ সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি অর্জন করেছে। এ খাতে বরাদ্দের প্রায় ৭৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।বাংলাদেশের অর্থনীতি

অন্যদিকে পার্কিং মেশিন (ফুড ইনগ্রেডিয়েন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট) স্থাপনে ৭৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ, পাস্তুরাইজেশন ইউনিটে ৯৩ দশমিক ৫০ শতাংশ, ট্রে উৎপাদন লাইনে ৯০ শতাংশ এবং রোটারি ওভেনে ১০০ শতাংশ বিনিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে।


এছাড়া ফ্রিজার, মেটাল ডিটেক্টর, বয়লার, ইটিপি, সাব-স্টেশন, এয়ার কম্প্রেসরসহ বেশ কয়েকটি যন্ত্রপাতি ক্রয় কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

এফডিআরে রাখা অর্থের বিপরীতে ঋণ

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, রাইট ইস্যুর অব্যবহৃত অর্থ স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকে ৪৪টি এফডিআরে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এসব এফডিআরের মোট স্থিতি দাঁড়িয়েছে ২২২ কোটি ৪৩ লাখ ৭২ হাজার ৫৫৭ টাকা।

তবে কোম্পানিটি এসব এফডিআরের বিপরীতে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের পান্থপথ শাখা থেকে ১৯৮ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করেছে। যা এফডিআরের মূল টাকার প্রায় ৯০ শতাংশের সমান। প্রতিবেদনের তারিখ পর্যন্ত ওই ঋণের স্থিতি ছিল ১৯৮ কোটি ১৬ লাখ ৯৩ হাজার ৩২০ টাকা।

নিরীক্ষকের পর্যবেক্ষণ

স্বতন্ত্র নিরীক্ষক কে. এম. আলম অ্যান্ড কোং জানিয়েছে, রাইট ইস্যুর অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোম্পানি রাইট শেয়ার অফার ডকুমেন্টে বর্ণিত উদ্দেশ্য অনুসরণ করেছে। অর্থ ব্যয়ের বিপরীতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র, ভাউচার ও ব্যাংক বিবরণী পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে।

নিরীক্ষকরা মত দিয়েছেন যে, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাইট ইস্যুর অর্থ ব্যবহারের বিবরণী সব গুরুত্বপূর্ণ দিক থেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তা বিএসইসির অনুমোদনের শর্ত ও রাইট শেয়ার অফার ডকুমেন্টের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।বাজার ডেটা পরিষেবা

বিএসইসিতে জমা দেওয়া চিঠিতে গোল্ডেন হারভেস্ট জানিয়েছে, প্রতিবেদনটির দুই স্বাক্ষরকারী পরিচালক গত ১০ দিন বিদেশে অবস্থান করায় নির্ধারিত সময়ের পরে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। এজন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি।

কোম্পানি সচিব মো. ইব্রাহিম হোসাইন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত প্রান্তিকের নিরীক্ষিত রাইট ইস্যুর অর্থ ব্যবহারের প্রতিবেদন কমিশনের অনুমোদনপত্রের শর্ত অনুযায়ী জমা দেওয়া হয়েছে।

পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এস এম জাহাঙ্গীর আলম।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এস এম জাহাঙ্গীর আলম।

ঈদের শুভেচ্ছা

ঢাকা প্রেসঃ সিলেট ডেভেলাপমেন্ট ফাউন্ডেশন, সড়কেরবাজার মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সহকারি সমিতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাবেক সভাপতি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এস এম জাহাঙ্গীর আলম আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সকল সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশ বিদেশে অবস্থানরত মুসলিম উম্মাহর প্রতি  ঈদের  আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তিনি তার শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, ত্যাগের পরাকাষ্ঠা, তাকওয়ার মহিমান্বিত পথনির্দেশনা এবং আত্মশুদ্ধির অনন্য বার্তা নিয়ে বছর ঘুরে আবারও বিশ্ব মুসলিমের দুয়ারে হাজির পবিত্র ঈদুল আজহা। আমি পবিত্র ঈদুল আজহার এই শুভক্ষণে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে জানাই ঈদ মোবারক। ইসলামের মহিমান্বিত এই উৎসব শুধু একটি আনন্দ-উৎসবই নয়, বরং তা স্রষ্টার প্রতি গভীর বিশ্বাস, আত্মনিবেদন এবং ত্যাগের এক চিরন্তন বার্তা বহন করে। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে হযরত ইব্রাহিম (আ.) এর অটল ঈমান, নিঃশর্ত আনুগত্য এবং সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই দিবসকে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে মহিমান্বিত ও গভীর তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

তিনি দেশের সকল গণমাধ্যমকর্মী, সকল পেশাজীবিি এবং তাদের পরিবারবর্গের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

ঢাকাপ্রেস বিডি/2026