সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
মুখোমুখি রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান: উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পুরো দেশ
খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫ ভাদ্র, ১৪৩৩
লোড হচ্ছে...
নিউজ লোড হচ্ছে...
ব্রেকিং:
কানাইঘাটে নব প্রতিষ্ঠিত দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ফ্যাসিস্ট নেতা একেএম ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে।ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় নেতানিয়াহু।টিআইএন ও কর নিয়ে আসছে নতুন সিদ্ধান্ত।ব্যাংকের ঋণ-আমানত সুদের হার বেঁধে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকনতুন পে স্কেলে থাকছে যেসকল সুবিধা।গোল্ডেন হার্ভেস্ট বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর।পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এস এম জাহাঙ্গীর আলম।সিলেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয় বাংলাদেশের।ছিনতাইকারীকে ঝাপটে ধরেছিলেন র‌্যাব সদস্য ইমন, বুকে ছুরকাঘাতে হত্যাসিলেটের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আলাদা নজর রয়েছে: এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীপৃথিবীর ৬টি দেশ যেখানে রাত হয় না – জানলে অবাক হবেন!নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলাবড় মুলধনী কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্তির আওতায় আনা হচ্ছে।সব হারিয়েও কেন মানুষ শেয়ারবাজার ছাড়ে নামুখোমুখি রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান: উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পুরো দেশতিন দিনের রাস্ট্রীয় সফর শেষে ট্রাম্প ফিরলেন আমেরিকা।বিএসইসি‘র চেয়ারম্যান কে হতে যাচ্ছেন ?নতুন আরেকটি ওয়াসা গঠনের সিদ্ধান্ত।ত্রয়োদশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন আসন থেকে কে নির্বাচিত হলেন‘রেপ করতে গেলে অজ্ঞান হয়ে যায়, পরে গলাটিপে হত্যা করি’

মুখোমুখি রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান: উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পুরো দেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
মুখোমুখি রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান: উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পুরো দেশ

মুখোমুখি রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান: উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পুরো দেশ

স্টাফ রিপোর্টারঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৯৬ সালের ২০ মে এক উত্তেজনাপূর্ণ ও নাটকীয় দিন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে। সেদিন দেশের বিভিন্ন সেনানিবাস থেকে ভারী অস্ত্রসজ্জিত সেনাদল ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। অন্যদিকে রাজধানীতে তাদের প্রতিহত করতে প্রস্তুতি নেয় সেনাবাহিনীর আরেকটি অংশ।

সে সময় দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালুর পর নির্বাচন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছিল। ঠিক এমন সময় তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম ও রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাস-এর মধ্যে বিরোধ চরমে পৌঁছে যায়।

বিভিন্ন সূত্র ও প্রকাশিত বই অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত হয় ১৮ মে দুই জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে। তারা হলেন বগুড়া সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান এবং তৎকালীন বিডিআরের উপ-মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার মিরন হামিদুর রহমান।

সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব এম এ হাকিম তার বই ‘একটি সামরিক অভ্যুত্থান: ব্যর্থ প্রয়াস’-এ উল্লেখ করেন, এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে সেনাপ্রধান নাসিম রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং তার অনুগত সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন।

২০ মে সেনাপ্রধান বিভিন্ন ডিভিশনে যোগাযোগ করে ঢাকায় সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেন। ময়মনসিংহ ও বগুড়া সেনানিবাস থেকে ব্রিগেড পর্যায়ের সেনাদল ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। যশোর থেকেও সেনা প্রস্তুত রাখা হয়েছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল এম এ মতিন তার বইয়ে দাবি করেন, সেনাপ্রধানের উদ্দেশ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, বিশেষ করে রেডিও-টেলিভিশন কেন্দ্র এবং বঙ্গভবনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপতির অনুগত সেনা কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাল্টা প্রস্তুতি নেন। সাভারের নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল ইমামুজ্জামান ও কুমিল্লার ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আনোয়ার হোসেন সেনাপ্রধানের নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানান।

ঢাকামুখী সেনাদলকে প্রতিরোধ করতে শ্রীপুর, আরিচাঘাট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে সেনা মোতায়েন করা হয়। বঙ্গভবন, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতার ভবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও সেনা নিরাপত্তার আওতায় নেওয়া হয়।

বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, সেদিন রাজধানীর রাস্তায় ট্যাংক চলাচল করতে দেখা যায় এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়, অনেক মানুষ ঘরে অবস্থান নেন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ২০ মে বিকেলে রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাস সেনাপ্রধান লে. জেনারেল নাসিমকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। পরে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ ঘোষণা প্রচার করা হয়।

রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেন, সেনাবাহিনীর আইন ও বিধি অনুসারে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং সেনাপ্রধানের আচরণকে সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

অন্যদিকে জেনারেল নাসিম ওই সিদ্ধান্তকে “অবৈধ” বলে দাবি করেন।

যদিও সেনাবাহিনীর দুই অংশের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তবে কোথাও সরাসরি সংঘর্ষ বা গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি। শেষ পর্যন্ত সেনাপ্রধানের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঘটনার মাত্র ২২ দিন পর অনুষ্ঠিত হয় সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৯৬ সালের ২০ মে বাংলাদেশের সামরিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর অধ্যায়।

কানাইঘাটে নব প্রতিষ্ঠিত দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ফ্যাসিস্ট নেতা একেএম ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
কানাইঘাটে নব প্রতিষ্ঠিত দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ফ্যাসিস্ট নেতা একেএম ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে।

নিজস্ব প্রতিবেদক, কানাইঘাট: সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সড়কের বাজার এলাকায় নব প্রতিষ্ঠিত সড়কের বাজার মহিলা কলেজ ও সড়কের বাজার ইউনাইটেড কলেজকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ, একটি পক্ষ বিভিন্নভাবে প্রতিষ্ঠান দুটির অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এমসি কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি এ কে এম ফজলুর রহমান বিভিন্ন মহলে প্রভাব খাটিয়ে বিশেষ করে সড়কের বাজার মহিলা কলেজের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। তাদের আরও দাবি, কিছু ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীকে ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।

স্থানীয়দের একাংশের ভাষ্য, সড়কের বাজার এলাকার মানুষের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুটি এলাকার উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠান চালু হলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।

এদিকে অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, সড়কের বাজার এলাকায় আগে থেকেই মালিক-নাহার মেমোরিয়াল একাডেমি পরিচালিত হওয়ায় নতুন দুটি কলেজ চালু হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি হতে পারে। এতে করে এই এলাকায় শিক্ষা বাণিজ্য বন্ধ হবার ভয়ে তিনি বিরোধিতা করছেন।

কলেজের দুটির অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করতে উক্ত কলেজের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন মিডিয়ায় মানহানিকর প্রচারণা চালাচ্ছেন। 
অভিযোগের বিষয়ে এ কে এম ফজলুর রহমানের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়ায় তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় নেতানিয়াহু।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় নেতানিয়াহু।

ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় নেতানিয়াহু।

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইসরাইলের রাজনীতিতে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবার তার রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি। আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনই নির্ধারণ করতে পারে চার দশকের বেশি সময়ের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ।

দুর্নীতির একাধিক মামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে সমালোচনার কারণে নেতানিয়াহু এখন দেশ-বিদেশে তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের লড়াই নয়, বরং নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অস্তিত্বেরও বড় পরীক্ষা।

নির্বাচনের আগে তার রাজনৈতিক অবস্থান আরও জটিল করে তুলেছে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাত। জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। এর পরপরই তেহরান ইসরাইল, উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ এবং হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা শুরু করে। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একই সময়ে উত্তরের সীমান্তে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে পূর্ণমাত্রার সংঘাতে জড়িয়ে রয়েছে ইসরাইল। ফলে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ পরিচালনার চাপে নেতানিয়াহুর সরকার কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহু এক ধরনের উভয়সংকটে পড়েছেন। একদিকে লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধের জন্য মার্কিন প্রশাসন তার ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। অন্যদিকে ইসরাইলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নাগরিক ইরান এবং তার আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ ও অভ্যন্তরীণ জনমতের এই বিপরীতমুখী অবস্থান তার জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিদেশনীতি ও যুদ্ধ পরিস্থিতির পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার আগে ও পরে গোয়েন্দা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতা তদন্তে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন গঠনে তার অস্বীকৃতি জনগণের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইসরাইলে অনেকের মতে, ৭ অক্টোবরের হামলা প্রতিরোধে সরকারের ব্যর্থতার দায় এখনো স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়নি। এর সঙ্গে দুর্নীতির মামলাগুলো যুক্ত হওয়ায় নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভাবমূর্তি আরও চাপে পড়েছে।

সব মিলিয়ে, আগামী অক্টোবরের নির্বাচন কেবল ইসরাইলের পরবর্তী সরকার নির্ধারণ করবে না; একই সঙ্গে এটি বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের ভবিষ্যৎও নির্ধারণ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

টিআইএন ও কর নিয়ে আসছে নতুন সিদ্ধান্ত।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
টিআইএন ও কর নিয়ে আসছে নতুন সিদ্ধান্ত।

টিআইএন ও কর নিয়ে আসছে নতুন সিদ্ধান্ত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সীমিত আয়ের মানুষের করের চাপ কমাতে আগামী দুই অর্থবছর (২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮) ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার পরিকল্পনা করছে সরকার। একই সঙ্গে ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব থেকেও সরে আসতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অর্থ বিল-২০২৬ সংসদে পাস হওয়ার আগেই এসব পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।গত ১১ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে অর্থ বিল উত্থাপন করেন।

প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব ছিল। বর্তমানে বছরে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত।ওই কর্মকর্তা জানান, ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবটি বাদ দেওয়া হতে পারে।

প্রস্তাবিত বাজেটে এ বিধান রাখা হলেও বিভিন্ন মহল এর বিরোধিতা করে। তাদের মতে, এ ধরনের বাধ্যবাধকতা আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে নিরুৎসাহিত করতে পারে এবং নতুন গ্রাহকদের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের মধ্যে (বিটুবি) লেনদেনে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপের প্রস্তাব অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এ ছাড়া সোনা বিক্রির ওপর মূলধনী লাভ কর (ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স) বর্তমান প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

প্রস্তাবিত অর্থ বিলে করদাতার রিটার্নে ঘোষিত সোনা, রুপা, গহনা, মূল্যবান পাথর, হীরা, মুদ্রা, ডিজিটাল মুদ্রা, শিল্পকর্ম, প্রাচীন নিদর্শন ও ক্লাব সদস্যপদ বিক্রি বা হস্তান্তর থেকে অর্জিত লাভের ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছিল।

এ ছাড়া ট্রেজারি বিল, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ডিবেঞ্চার, সুকুক, শরিয়াহভিত্তিক সিকিউরিটিজ এবং শেয়ার ও স্টক বিক্রির মূলধনী লাভের ওপরও ১৫ শতাংশ করের প্রস্তাব রয়েছে।

স্টক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম

আরেকটি সম্ভাব্য পরিবর্তন হলো, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং শুধু আইসিটি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের করপোরেট কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে।তবে আবাসন খাতের ডেভেলপারদের কর ব্যবস্থায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা নেই বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন।