সর্বশেষ লাইভ ই-পেপার
বিএসইসি‘র চেয়ারম্যান কে হতে যাচ্ছেন ?
খুঁজুন
শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
লোড হচ্ছে...
নিউজ লোড হচ্ছে...
ব্রেকিং:
তিন দিনের রাস্ট্রীয় সফর শেষে ট্রাম্প ফিরলেন আমেরিকা।বিএসইসি‘র চেয়ারম্যান কে হতে যাচ্ছেন ?নতুন আরেকটি ওয়াসা গঠনের সিদ্ধান্ত।ত্রয়োদশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন আসন থেকে কে নির্বাচিত হলেন‘রেপ করতে গেলে অজ্ঞান হয়ে যায়, পরে গলাটিপে হত্যা করি’সিলেটে চলন্ত ট্রেনে আগুন আতঙ্ক!অরিয়ন ফার্মার বিনিয়োগকারীদের জন্য দুঃসংবাদ।পুঁজিবাজারের জন্য একগুচ্ছ মেগা পরিকল্পনা নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেড কোম্পানিগুলোর সুখবর।বাংলাদেশ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী সমিতি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের আহবায়ক কমিটি গঠন।মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের সম্ভাবনায় অস্ট্রেলিয়ান ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন সতর্কতা১ বিলিয়ন ডলার নিয়ে বন্ধ এমএলএম এমটিএফইগির্জা পোড়ানো নাশকতায় পাকিস্তানে ১৪৬ গ্রেপ্তারজয়কে হত্যাচেষ্টা : শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমানের ৭ বছরের জেলবড়া পিঠা তৈরির রেসিপি পাকা কলা দিয়ে

বিএসইসি‘র চেয়ারম্যান হিসেবে যাদের গুঞ্জন

বিএসইসি‘র চেয়ারম্যান কে হতে যাচ্ছেন ?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
বিএসইসি‘র চেয়ারম্যান কে হতে যাচ্ছেন ?

বিএসইসি‘র চেয়ারম্যান হিসেবে যাদের গুঞ্জন

শেয়ারবাজার ডেস্কঃ পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) নতুন চেয়ারম্যান বসানোর উদ্যোগের মধ্যে আলোচনায় আসছে বিভিন্ন নাম।

সেখানে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলামের নাম যেমন আসছে, তেমনি আসছে বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী ও সাবেক সচিব ফরিদুল ইসলামের নামও।

তবে গত কয়েকদিন ধরে ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ারের চেয়ারম্যান মাসুদ খানকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দায়িত্ব পাওয়া খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে সরিয়ে বর্তমান বিএনপি সরকার শেষ পর্যন্ত কাকে বিএসইসির দায়িত্ব দেবে, তা জানতে প্রজ্ঞাপন জারি অবধি অপেক্ষা করতে হবে।

পুঁজিবাজারের বড় বিনিয়োগকারী ও স্টেকহোল্ডাররা ডিবিএ সভাপতি সাইফুলকে সমর্থন দিচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, অবসরপ্রাপ্ত আমলা বা অনভিজ্ঞ শিক্ষাবিদদের তুলনায় তার প্রায়োগিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বেশি, তিনিই বর্তমান সময়ের চাহিদা ভালো বুঝবেন।

আবার হিসাববিদ ও ঝানু করপোরেট পেশাদার মাসুদ খানকেও নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষ পদের জন্য শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

২০২৪ সালের পট পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ১৩ অগাস্ট বিএসইসির চেয়ারম্যান পদে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম মাসরুর রিয়াজকে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয়।

বিএনপিঘনিষ্ঠ সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের ছেলে মাসরুর রিয়াজ আইএফসির সাবেক একজন কর্মকর্তা, যিনি ২০১০-এর দশকে বিনিয়োগ প্রসারে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিলেন।

কিন্তু তাকে বিএসইসির চেয়ারম্যান করার খবরে একটি পক্ষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সঙ্গে সখ্যের অভিযোগ তোলা হয় তার বিরুদ্ধে। সালমান এফ রহমানের সঙ্গে তার একটি ছবিও সে সময় ফেইসবুকে ছড়ানো হয়।

পরে বিএসইসির কর্মকর্তারাও মাসরুর রিয়াজের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে আপত্তি জানান। সেই পরিস্থিতিতে মাসরুর রিয়াজ বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

পরে সাবেক ব্যাংকার খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট তিনি দায়িত্ব বুঝে নেন।

চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই বিএসইসির শীর্ষ পদে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার আলোচনা চলছে। বিএসইসি চেয়ারম্যান পদে বয়সসীমার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ার পর সেই আলোচনা আরও জোরালো হয়।

শুরুর দিকে ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম এবং সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব ফরিদুল ইসলামের নাম আলোচনায় থাকলেও পরে ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ারের চেয়ারম্যান মাসুদ খান এবং বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকীর নাম অন্যদের ছাপিয়ে যায়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে মাসুদ খানের নাম চূড়ান্ত করে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য ফাইল পাঠানো হয়েছে। অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এ বিষয়ে মাসুদ খানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “শুনেছি বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে আমার নামটি আছে। এর বাইরে আমি কিছু জানি না।”

৩০ এপ্রিল সংসদে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধনী) বিল ২০২৬ পাস হয়, যার মাধ্যমে বিএসইসির চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে ৬৫ বছর বয়সসীমা বাতিল হয়ে যায়। অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের কমিশনে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ তৈরি করতেই সরকার ওই বয়সসীমা তুলে দিয়েছে।

এর পর ৭০ বছরের বেশি বয়সী এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা মা্সুদ খানের নাম সবার সামনে চলে আসে। গত কয়েক দিনে তার নিয়োগ নিয়ে জল্পনা বেশ জোরালো হয়।

ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমি যতোটুকু জেনেছি, মাসুদ খানের নিয়োগের বিষয়টি সরকারের শীর্ষ মহল চূড়ান্ত করেছে। তার ফাইলটি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।”

তবে প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি স্পষ্ট করে কোনো নাম বলতে চাননি।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা এই বিষয়টি নিয়ে অনেক বিশ্লেষণ করছি। আমাদের আরও একটু সময় দরকার। ইনশাআল্লাহ, কিছু জানলে আপনাদের আপডেট জানাব।”

এদিকে মাসুদ খানকে গত মাসে ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ারের চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইউনিলিভারের পাশাপাশি তিনি বর্তমানে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ এবং ম্যারিকো বাংলাদেশের স্বাধীন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

যোগাযোগ করা হলে বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, তিনি কমিশনে যোগ দিতে আগ্রহী নন। এ বিষয়টি কর্তৃপক্ষ হয়ত আগেই জানত। তাই তারা সরাসরি তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।

“সরকারের একজন প্রতিনিধি আমাকে বিএসইসির প্রধান হিসেবে যোগ দিতে আগ্রহী কি না জানতে চেয়েছিলেন। আমি অনাগ্রহের কথা জানিয়ে দিয়েছি।”

তিনি বলেন, “চেয়ারম্যান হিসেবে আমার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অনেক আগেই আমি বিএসইসি ছেড়েছি। সেখানে ফিরে যাওয়ার আর কোনো আগ্রহ আমার নেই।”

ঢাকাপ্রেস/15.05.2026

তিন দিনের রাস্ট্রীয় সফর শেষে ট্রাম্প ফিরলেন আমেরিকা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
তিন দিনের রাস্ট্রীয় সফর শেষে ট্রাম্প ফিরলেন আমেরিকা।

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে চীন ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। আজ শুক্রবার (১৫ মে) এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এক জমকালো বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বিদায়ী অনুষ্ঠানে লাল গালিচার দুপাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে মার্কিন ও চীনা পতাকা নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান কর্মকর্তারা।

আজ শুক্রবার ছিল ট্রাম্পের চীন সফরের তৃতীয় ও শেষদিন। সফরের শেষ করার অংশ হিসেবে আজ সকালে এক সময়ের রাজকীয় উদ্যান বেইজিংয়ের ঝোংনানহাই কমপ্লেক্সে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনায় বসেন ট্রাম্প।
 
এই ঝোংনানাহাই কমপ্লেক্স-এ ক্ষমতাসীন চীনা কম্যুনিস্ট পার্টি এবং স্টেট কাউন্সিল বা চীনের মন্ত্রসভার কার্যালয় অবস্থিত। জায়গাটি রাজধানীর বিখ্যাত প্রত্নস্থল ফরবিডেন সিটির সংলগ্ন এবং তিয়ানানমেন স্কোয়ারের কাছেই।
 
ট্রাম্পকে প্রাচীরঘেরা ঝোংনানহাই চত্বরে অবস্থিত শতবর্ষী বৃক্ষরাজি পরিদর্শনের এক বিরল সুযোগ দেয়া হয়। বাগানের কিছু গাছের বয়স এক হাজার বছরেরও বেশি যা দেখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রীতিমতো বিস্ময় প্রকাশ করেন।
 
ভিডিওতে দেখা যায়, শি জিনপিং নিজেই ট্রাম্পকে কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত এই কমপ্লেক্সের নান্দনিক বাগানপথ, লেকপাড়ের করিডর এবং ফুলে সাজানো বিভিন্ন অংশ ঘুরিয়ে দেখাচ্ছেন। এ সময় ট্রাম্প চীনা প্রেসিডেন্টকে প্রশ্ন করেন, অন্য বিদেশি নেতাদেরও কি এই কমপ্লেক্সে স্বাগত জানানো হয়?
 
 
জবাবে শি বলেন, ‘খুবই কম। শুরুতে আমরা এখানে সাধারণত কোনো কূটনৈতিক অনুষ্ঠান করতাম না। পরে কিছু আয়োজন শুরু হলেও সেটি এখনো অত্যন্ত বিরল। যেমন (রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট) ভ্লাদিমির পুতিন এখানে এসেছেন।’
 
এরপর জিনপিং ট্রাম্পকে ২৮০ বছর পুরনো একটি গাছ স্পর্শ করার আমন্ত্রণ জানান। ট্রাম্প তখন জবাব দেন, ‘ভালো। আমার পছন্দ হয়েছে।’ এরপর ট্রাম্প ও জিনপিং শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন। পরে দুই দেশের প্রতিনিধিদল ব্যক্তিগত বৈঠকে অংশ নেয়।
 
গত বুধবার (১৩ মে) ট্রাম্পের চীন সফর শুরু হয়। তার এই সফরে রাজকীয় অভ্যর্থনা, কুচকাওয়াজরত সেনাদের উপস্থিতি, বিলাসবহুল নৈশভোজ এবং গোপন বাগানে ব্যক্তিগত ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। সফরকালে ট্রাম্প বারবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর প্রশংসা করেন এবং তার আন্তরিকতা ও ব্যক্তিত্বের কথা উল্লেখ করেন।
 
ট্রাম্প ও জিনপিংয়ের সবশেষ বৈঠক নিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুরে বেইজিং ত্যাগ করেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্কের জটিল সমস্যাগুলোর সমাধান হয়েছে, এমন কোনো তাৎক্ষণিক ইঙ্গিত মেলেনি। যদিও চীনা নেতা শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক আপাতত নতুন করে স্থিতিশীল হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
 
 
দুই দিনের বৈঠকে ইরান, তাইওয়ান ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা। এ সময় নিবিড় দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পাশাপাশি ছিল জাঁকজমকপূর্ণ ‘সফট ডিপ্লোম্যাসি’র প্রদর্শনও। প্রায় এক দশক পর বেইজিংয়ে দীর্ঘদিনের এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী নেতার মুখোমুখি বৈঠককে ঘিরে কূটনৈতিক উষ্ণতার বিশেষ আয়োজন দেখা যায়।
 

ট্রাম্প-শি বৈঠকে ইরান যুদ্ধের ছায়াবেইজিং সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের বৈঠকের ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে ইরান যুদ্ধ ইস্যু। আলোচনার আগে ধারণা করা হচ্ছিল, ট্রাম্প তার চীনা সমকক্ষকে ইরান সংকট সমাধানে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে রাজি করাতে পারেন।

 
ইরানের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক অংশীদার এবং দেশটির তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন বরাবরই যুদ্ধ চলাকালে নিজেকে শান্তির পক্ষের শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে।
 
বৃহস্পতিবার দুই নেতার মধ্যে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ইরান প্রসঙ্গ আলোচনায় আসে। তবে সফর শেষে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এমন কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি যে, তারা তেহরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের দাবির পক্ষে চাপ প্রয়োগ করবে। বরং দুই পক্ষের বক্তব্যে এখন পর্যন্ত ইঙ্গিত মিলেছে, শীর্ষ বৈঠকটি এ ইস্যুতে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি আনতে পারেনি।
 
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, শি জিনপিং ইরান সংকট সমাধানে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন এবং ইরানকে সামরিক সরঞ্জাম না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এনবিসি নিউজকে দেওয়া পৃথক সাক্ষাৎকারে জানান, ইরান সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র চীনের সহায়তা চায়নি।
 
হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, দুই দেশ একমত হয়েছে যে স্ট্রেইট অব হরমুজ অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে এবং ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না।
 
 
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শি জিনপিং ‘জলপথটিকে সামরিকীকরণের বিরোধিতা এবং এর ব্যবহারে টোল আরোপের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে চীনের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।’ পাশাপাশি চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি তেল আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
 
বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে নতুন জ্বালানি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, যেখানে ইরানি তেলের বড় ক্রেতা চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকেও তেল আমদানি বাড়াতে পারে। তবে ট্রাম্প-শি বৈঠক ইরান সংকটে বাস্তব কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। কারণ বেইজিং মূলত তাদের আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছে।
 
চীন ইতোমধ্যে একাধিকবার বলেছে, তারা শান্তি আলোচনায় সহায়তার জন্য যা সম্ভব করবে। গত মাসে শি জিনপিং স্ট্রেইট অব হরমুজে ‘স্বাভাবিক নৌ চলাচল বজায় রাখার’ আহ্বান জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে চীনের নীতিগত অবস্থান হলো, তারা সংঘাতে জড়িত কোনো দেশকে অস্ত্র সরবরাহ করে না।
 
বেইজিং ইরানের এই ঘোষণাকে সমর্থন করে যে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না, যদিও শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনার অধিকার ইরানের রয়েছে বলেও তারা মনে করে।
 
শুক্রবার সকালে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই যুদ্ধ কখনোই হওয়া উচিত ছিল না।’ একই সঙ্গে তারা দাবি করে, এ বিষয়ে চীনের অবস্থান ‘একেবারেই পরিষ্কার।’
 

অন্যদিকে ট্রাম্পও মনে হয় বুঝতে পেরেছেন, ইরানের ওপর বেইজিং কতটা চাপ প্রয়োগ করবে তার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফক্স নিউজে তিনি বলেন, ‘দেখুন, তিনি বন্দুক নিয়ে আসছেন না… গুলি ছুড়তেও আসছেন না।’ ইরানের ওপর শি জিনপিং প্রভাব খাটাবেন কি না জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি খুবই ভালো আচরণ করেছেন।’ 

নতুন আরেকটি ওয়াসা গঠনের সিদ্ধান্ত।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
নতুন আরেকটি ওয়াসা গঠনের সিদ্ধান্ত।

নতুন আরেকটি ওয়াসা গঠনের সিদ্ধান্ত।

নিউজ ডেস্কঃ কুমিল্লা নগরীর পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও টেকসই করতে ওয়াসা (পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ) গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার (১৩ মে) এ বিষয়ে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভায় কুমিল্লা নগরীর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, দ্রুত নগরায়ণ এবং নিরাপদ পানির চাহিদার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি আধুনিক পয়োনিষ্কাশন ও দীর্ঘমেয়াদি নগর–ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

সভায় মন্ত্রী বলেন, কুমিল্লা শহরের নাগরিকদের জন্য কার্যকর ও আধুনিক পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে ওয়াসা গঠন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে নগরবাসীর জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে পরিকল্পিত ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা–৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান এবং কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বর্তমানে বাংলাদেশে পাঁচটি ওয়াসা রয়েছে। এগুলো হলো ঢাকা ওয়াসা, চট্টগ্রাম ওয়াসা, খুলনা ওয়াসা, রাজশাহী ওয়াসা ও সিলেট ওয়াসা। কুমিল্লায় ওয়াসা গঠিত হলে দেশে ওয়াসার সংখ্যা বেড়ে হবে ছয়টি।

ওয়াসার প্রধান কাজ হলো নগর এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা পরিচালনা করা। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা, বর্জ্যপানি শোধন, পাইপলাইন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন ও নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাও সংস্থাটির দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। দ্রুত নগরায়ণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাগরিক সেবাকে আধুনিক ও কার্যকর করতে ওয়াসা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কে কোন আসনের এমপি

ত্রয়োদশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন আসন থেকে কে নির্বাচিত হলেন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
ত্রয়োদশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন আসন থেকে কে নির্বাচিত হলেন

ত্রয়োদশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন আসন থেকে কে নির্বাচিত হলেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৯টিতে জয় নিশ্চিত করেছে। তবে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল মামলা-সংক্রান্ত জটিলতায় স্থগিত থাকায় এই দুই আসনে এখন গেজেট প্রকাশ হচ্ছে না। এছাড়া শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত আছে।

নির্বাচনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, তারা পেয়েছে ৬৮টি আসন। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি আসনে জয়ী হয়েছে।

অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি, খেলাফত মজলিস ১টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১টি, গণঅধিকার পরিষদ ১টি এবং গণসংহতি আন্দোলন ১টি আসন পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ৭টি আসনে।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট ও জামায়াতে ইসলামীর ১১ দলীয় ঐক্যসহ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভোটের লড়াইয়ে যারা জয় পেলেন, তাদের তালিকা:

রংপুর বিভাগ
পঞ্চগড়-১ মুহাম্মদ নওশাদ জমির (বিএনপি), পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন আজাদ (বিএনপি)।

ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বিএনপি), ঠাকুরগাঁও-২ মো. আব্দুস সালাম (বিএনপি), ঠাকুরগাঁও-৩ মো. জাহিদুর রহমান (বিএনপি)।

দিনাজপুর-১ মো. মনজুরুল ইসলাম (বিএনপি), দিনাজপুর-২ মো. সাদিক রিয়াজ (বিএনপি), দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি), দিনাজপুর-৪ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া (বিএনপি), দিনাজপুর-৫ এ. জেড. এম. রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র), দিনাজপুর-৬ ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (বিএনপি)।

নীলফামারী-১ মো. আব্দুস সাত্তার (জামায়াতে ইসলামী), নীলফামারী-২ আল ফারুক আব্দুল লতিফ (জামায়াতে ইসলামী), নীলফামারী-৩ ওবায়দুল্লাহ সালাফী (জামায়াতে ইসলামী), নীলফামারী-৪ আব্দুল মুনতাকিম (জামায়াতে ইসলামী)।

লালমনিরহাট-১ মো. হাসান রাজীব প্রধান (বিএনপি), লালমনিরহাট-২ মো. রোকনউদ্দিন বাবুল (বিএনপি), লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু (বিএনপি)।

রংপুর-১ মো. রায়হান সিরাজী (জামায়াতে ইসলামী), রংপুর-২ এ টি এম আজহারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী), রংপুর-৩ মো. মাহবুবার রহমান বেলাল (জামায়াতে ইসলামী), রংপুর-৪ আখতার হোসেন (এনসিপি), রংপুর-৫ মো. গোলাম রব্বানী (জামায়াতে ইসলামী), রংপুর-৬ মো. নুরুল আমীন (জামায়াতে ইসলামী)।

কুড়িগ্রাম-১ মো. আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী), কুড়িগ্রাম-২ আতিকুর রহমান মোজাহিদ (এনসিপি), কুড়িগ্রাম-৩ মো. মাহবুবুল আলম সালেহী (জামায়াতে ইসলামী), কুড়িগ্রাম-৪ মো. মোস্তাফিজুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী)।

গাইবান্ধা-১ মো. মাজেদুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী), গাইবান্ধা-২ মো. আব্দুল করিম (জামায়াতে ইসলামী), গাইবান্ধা-৩ আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম লেবু (জামায়াতে ইসলামী), গাইবান্ধা-৪ মোহাম্মদ শামীম কায়সার (বিএনপি), গাইবান্ধা-৫ মো. আব্দুল ওয়ারেছ (জামায়াতে ইসলামী)।

রাজশাহী বিভাগ
বগুড়া-১ আসনে প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম (বিএনপি), বগুড়া-২ আসনে মীর শাহে আলম (বিএনপি), বগুড়া-৩ আসনে আব্দুল মহিত তালুকদার (বিএনপি), বগুড়া-৪ আসনে মোশাররফ হোসেন (বিএনপি), বগুড়া-৫ আসনে গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ (বিএনপি), বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমান (বিএনপি), বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ মিল্টন (বিএনপি)।

জয়পুরহাট-১ মো. ফজলুর রহমান সাঈদ (জামায়াতে ইসলামী), জয়পুরহাট-২ মো. আব্দুল বারী (বিএনপি)।

নওগাঁ-১ মো. মোস্তাফিজুর রহমান (বিএনপি), নওগাঁ-২ মো. এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী,) নওগাঁ-৩ মো. ফজলে হুদা বাবুল (বিএনপি), নওগাঁ-৪ ইকরামুল বারী (বিএনপি), নওগাঁ-৫ মো. জাহিদুল ইসলাম (বিএনপি), নওগাঁ-৬ শেখ মো. রেজাউল ইসলাম (বিএনপি)।

রাজশাহী-১ মো. মুজিবুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী), রাজশাহী-২ মো. মিজানুর রহমান মিনু (বিএনপি), রাজশাহী-৩ মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন (বিএনপি), রাজশাহী-৪ মো. আব্দুল বারী সরদার (জামায়াতে ইসলামী), রাজশাহী-৫ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল (বিএনপি), রাজশাহী-৬ মো. আবু সাইদ চাঁদ (বিএনপি)।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ ড. কেরামত আলী (জামায়াতে ইসলামী), চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ ড. মিজানুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী), চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল (জামায়াতে ইসলামী)।

নাটোর-১ ব্যারিষ্টার ফারজানা শারমীন পুতুল (বিএনপি), নাটোর-২ এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (বিএনপি), নাটোর-৩ মো. আনোয়ারুল ইসলাম আনু (বিএনপি), নাটোর-৪ মো. আব্দুল আজিজ (বিএনপি)।

পাবনা-১ ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী), পাবনা-২ এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব (বিএনপি), পাবনা-৩ মুহাম্মাদ আলী আছগার (জামায়াতে ইসলামী), পাবনা-৪ মো. আবু তালেব মন্ডল (জামায়াতে ইসলামী), পাবনা-৫ মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (বিএনপি)।

সিরাজগঞ্জ-১ মো. সেলিম রেজা (বিএনপি), সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহ্‌মুদ টুকু (বিএনপি), সিরাজগঞ্জ-৩ মো. আয়নুল হক (বিএনপি), সিরাজগঞ্জ-৪ মো. রফিকুল ইসলাম খান (জামায়াতে ইসলামী), সিরাজগঞ্জ-৫ মো. আমিরুল ইসলাম খান (বিএনপি), সিরাজগঞ্জ-৬ এম. এ. মুহিত (বিএনপি)।

খুলনা বিভাগ
খুলনা-১ আমির এজাজ খান (বিএনপি), খুলনা-২ জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল (জামায়াতে ইসলামী), খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বকুল (বিএনপি), খুলনা-৪ এস কে আজিজুল বারী হেলাল (বিএনপি), খুলনা-৫ আলি আজগার লবি (বিএনপি), খুলনা-৬ আবুল কালাম আজাদ (জামায়াতে ইসলামী)।

বাগেরহাট-১ মশিউর রহমান (জামায়াতে ইসলামী), বাগেরহাট-২ মনজুরুল হক (জামায়াতে ইসলামী) বাগেরহাট-৩ ফরিদুল ইসলাম (বিএনপি), বাগেরহাট-৪ আব্দুল আলীম (জামায়াতে ইসলামী)।

মাগুরা-১ মনোয়ার হোসেন খান (বিএনপি), মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী (বিএনপি)।

নড়াইল-১ বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি), নড়াইল-২ আতাউর রহমান বাচ্চু ( জামায়াতে ইসলামী)।

যশোর-১ আজীজুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী), যশোর-২ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ (জামায়াতে ইসলামী), যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিএনপি), যশোর-৪ গোলাম রসুল (জামায়াতে ইসলামী), যশোর-৫ গাজী এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী), যশোর-৬ মোক্তার আলী (জামায়াতে ইসলামী)।

মেহেরপুর-১ মো. তাজউদ্দীন খান (জামায়াতে ইসলামী), মেহেরপুর-২ মো. নাজমুল হুদা (জামায়াতে ইসলামী)।

কুষ্টিয়া-১ রেজা আহাম্মেদ (বিএনপি), কুষ্টিয়া-২ আব্দুল গফুর (জামায়াতে ইসলামী) কুষ্টিয়া-৩ মুফতি আমির হামজা (জামায়াতে ইসলামী), কুষ্টিয়া-৪ আফজাল হোসেন (জামায়াতে ইসলামী)।

চুয়াডাঙ্গা-১ মাসুদ পারভেজ (জামায়াতে ইসলামী), চুয়াডাঙ্গা-২ রুহুল আমিন (জামায়াতে ইসলামী)।

ঝিনাইদহ-১ অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান (বিএনপি), ঝিনাইদহ-২ আলী আজম মো.আবু বকর (জামায়াতে ইসলামী), ঝিনাইদহ-৩ মতিয়ার রহমান (জামায়াতে ইসলামী), ঝিনাইদহ-৪ আবু তালিব (জামায়াতে ইসলামী)।

সাতক্ষীরা-১ ইজ্জত উল্লাহ (জামায়াতে ইসলামী), সাতক্ষীরা-২ আব্দুল খালেক (জামায়াতে ইসলামী), সাতক্ষীরা-৩ রবিউল বাসার (জামায়াতে ইসলামী), সাতক্ষীরা-৪ গাজী নজরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী)।

বরিশাল বিভাগ
বরগুনা-১ মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন), বরগুনা-২ নূরুল ইসলাম মনি (বিএনপি)।

পটুয়াখালী-১ আলতাফ হোসেন চৌধুরী (বিএনপি), পটুয়াখালী-২ ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (জামায়াতে ইসলামী), পটুয়াখালী-৩ বিএনপি সমর্থিত মো. নুরুল হক নূর (গণঅধিকার পরিষদ), পটুয়াখালী-৪ প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন (বিএনপি)।

ভোলা-১ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিভ রহমান পার্থ, ভোলা-২ মো. হাফিজ ইব্রাহিম (বিএনপি), ভোলা-৩ হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম (বিএনপি), ভোলা-৪ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন (বিএনপি)।

বরিশাল-১ বিএনপির জহির উদ্দিন স্বপন (বিএনপি), বরিশাল-২ সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ (বিএনপি), বরিশাল-৩ অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন (বিএনপি), বরিশাল-৪ মো. রাজিব আহসান বিএনপি), বরিশাল-৫ মো. মজিবুর রহমান সরোয়ার (বিএনপি), বরিশাল-৬ আবুল হোসেন খান (বিএনপি)।

ঝালকাঠি-১ রফিকুল ইসলাম জামাল (বিএনপি), ঝালকাঠি-২ ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (বিএনপি)।

পিরোজপুর-১ মাসুদ সাঈদী (জামায়াতে ইসলামী), পিরোজপুর-২ আহম্মদ সোহেল মনজুর (বিএনপি), পিরোজপুর-৩ মো. রুহুল আমীন দুলাল (বিএনপি)।

ঢাকা বিভাগ
টাঙ্গাইল-১ ফকির মাহবুব আনাম (বিএনপি), টাঙ্গাইল-২ আব্দুস সালাম পিন্টু (বিএনপি), টাঙ্গাইল-৩ মো. লুৎফর রহমান খান আজাদ (স্বতন্ত্র), টাঙ্গাইল-৪ লুৎফর রহমান মতিন (বিএনপি), টাঙ্গাইল-৫ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (বিএনপি), টাঙ্গাইল-৬ মো. রবিউল আওয়াল (বিএনপি), টাঙ্গাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (বিএনপি), টাঙ্গাইল-৮ অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান (বিএনপি)।

কিশোরগঞ্জ-১ মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম (বিএনপি), কিশোরগঞ্জ-২ অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন (বিএনপি), কিশোরগঞ্জ-৩ ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক (বিএনপি), কিশোরগঞ্জ-৪ মো. ফজলুর রহমান (বিএনপি), কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (স্বতন্ত্র), কিশোরগঞ্জ-৬ মো. শরীফুল আলম (বিএনপি)।

মানিকগঞ্জ-১ এস এ জিন্নাহ কবীর (বিএনপি), মানিকগঞ্জ-২ মঈনুল ইসলাম খান (বিএনপি), মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খানম রিতা (বিএনপি)।

মুন্সিগঞ্জ-১ শেখ মো. আব্দুল্লাহ (বিএনপি), মুন্সীগঞ্জ-২ আব্দুস সালাম আজাদ (বিএনপি), মুন্সীগঞ্জ-৩ মো. কামরুজ্জামান রতন (বিএনপি)।

ঢাকা-১ খোন্দকার আবু আশফাক (বিএনপি), ঢাকা-২ মো. আমানউল্লাহ আমান (বিএনপি), ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (বিএনপি), ঢাকা-৪ সৈয়দ জয়নুল আবেদীন (জামায়াতে ইসলামী), ঢাকা-৫ মোহাম্মদ কামাল হোসেন (জামায়াতে ইসলামী), ঢাকা-৬ ইশরাক হোসেন (বিএনপি), ঢাকা-৭ হামিদুর রহমান (বিএনপি), ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি)। ঢাকা-৯ হাবিবুর রশিদ (বিএনপি), ঢাকা-১০ শেখ রবিউল আলম (বিএনপি)।

ঢাকা-১১ মো. নাহিদ ইসলাম (এনসিপি), ঢাকা-১২ সাইফুল আলম (জামায়াতে ইসলামী), ঢাকা-১৩ ববি হাজ্জাজ (বিএনপি), ঢাকা-১৪ মীর আহমাদ বিন কাসেম (জামায়াতে ইসলামী), ঢাকা-১৫ মো. শফিকুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী), ঢাকা-১৬ আব্দুল বাতেন (জামায়াতে ইসলামী), ঢাকা-১৭ তারেক রহমান (বিএনপি), ঢাকা-১৮ এস, এম, জাহাঙ্গীর হোসেন (বিএনপি), ঢাকা-১৯ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (বিএনপি)। ঢাকা-২০ মো. তমিজ উদ্দিন (বিএনপি) ।

গাজীপুর-১ মো. মজিবুর রহমান (বিএনপি), গাজীপুর-২ এম মন্জুরুল করিম রনি (বিএনপি), গাজীপুর-৩ এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু (বিএনপি), গাজীপুর-৪ অধ্যক্ষ সালাহউদ্দিন আইউবী (জামায়াতে ইসলামী), গাজীপুর-৫ একেএম ফজলুল হক মিলন (বিএনপি) ।

নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন (বিএনপি), নরসিংদী-২ ড. আব্দুল মঈন খান (বিএনপি), নরসিংদী-৩ মনজুর এলাহী (বিএনপি), নরসিংদী-৪ সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বিএনপি), নরসিংদী-৫ মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল (বিএনপি) ।

নারায়ণগঞ্জ-১ মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া (বিএনপি), নারায়ণগঞ্জ-২ মো. নজরুল ইসলাম আজাদ (বিএনপি), নারায়ণগঞ্জ-৩ আজহারুল ইসলাম মান্নান (বিএনপি), নারায়ণগঞ্জ-৪ আবদুল্লাহ আল আমিন (এনসিপি), নারায়ণগঞ্জ-৫ প্রার্থী আবুল কালাম (বিএনপি)।

রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (বিএনপি), রাজবাড়ী-২ মো. হারুন-অর-রশিদ (বিএনপি) ।

ফরিদপুর-১ ড. ইলিয়াস মোল্যা (জামায়াতে ইসলামী), ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু (বিএনপি), ফরিদপুর-৩ চৌধুরী নায়ার ইউসুফ আহমেদ (বিএনপি), ফরিদপুর-৪ শহিদুল ইসলাম বাবুল (বিএনপি) ।

গোপালগঞ্জ-১ মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা (বিএনপি), গোপালগঞ্জ-২: ডা. কে এম বাবর আলী (বিএনপি), গোপালগঞ্জ-৩ এস, এম, জিলানী (বিএনপি) ।

মাদারীপুর-১ সাইদ উবিন আহমাদ হানজালা (খেলাফত মজলিস), মাদারীপুর-২ জাহান্দার আলী মিয়া (বিএনপি), মাদারীপুর-৩ আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার (বিএনপি)।

শরীয়তপুর-১ সাঈদ আহমেদ আসলাম (বিএনপি), শরীয়তপুর-২ শফিকুর রহমান কিরণ (বিএনপি), শরীয়তপুর-৩ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু (বিএনপি)।

ময়মনসিংহ বিভাগ
ময়মনসিংহ-১ সালমান ওমর রুবেল (স্বতন্ত্র), ময়মনসিংহ-২ মোহাম্মদুল্লাহ (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), ময়মনসিংহ-৩ এম ইকবাল হোসেইন (বিএনপি), ময়মনসিংহ-৪ মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ (বিএনপি), ময়মনসিংহ-৫ মোহাম্মদ জাকির হোসেন (বিএনপি), ময়মনসিংহ-৬ মো. কামরুল হাসান (জামায়াতে ইসলামী) ময়মনসিংহ-৭ ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান (বিএনপি), ময়মনসিংহ-৮ লুৎফুল্লাহেল মাজেদ (বিএনপি), ময়মনসিংহ-৯ ইয়াসের খান চৌধুরী (বিএনপি), ময়মনসিংহ-১০ মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু (বিএনপি), ময়মনসিংহ-১১ ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি)।

নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (বিএনপি), নেত্রকোনা-২ আনোয়ারুল হক (বিএনপি), নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হিলালী (বিএনপি) নেত্রকোনা-৪ মো. লুৎফুজ্জামান বাবর (বিএনপি), নেত্রকোনা-৫ মাছুম মোস্তফা ( জামায়াতে ইসলামী)।

জামালপুর-১ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বিএনপি), জামালপুর-২ এ. ই. সুলতান মাহমুদ বাবু (বিএনপি), জামালপুর-৩ মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (বিএনপি), জামালপুর-৪ মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার (বিএনপি), জামালপুর-৫ শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন (বিএনপি)।

শেরপুর-১ মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (জামায়াত), শেরপুর-২ মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী (বিএনপি), শেরপুর-৩ নির্বাচন স্থগিত।

সিলেট বিভাগ
সিলেট-১ খন্দকার আবদুল মুক্তাদির (বিএনপি) সিলেট-২ তাহসিনা রুশদীর লুনা (বিএনপি), সিলেট-৩ মোহাম্মদ আবদুল মালিক (বিএনপি), সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরী (বিএনপি) এবং সিলেট-৬ আসনে এমরান আহমদ চৌধুরী (বিএনপি) বিজয়ী হয়েছেন। একমাত্র সিলেট-৫ মুফতি আবুল হাসান (খেলাফত মজলিস) জয় লাভ করেছেন।

সুনামগঞ্জ-১ আসনে কামরুজ্জামান কামরুল (বিএনপি) সুনামগঞ্জ-২ আসনে নাসির উদ্দীন চৌধুরী (বিএনপি), সুনামগঞ্জ-৩ আসনে কয়ছর আহমেদ (বিএনপি), সুনামগঞ্জ-৪ আসনে নুরুল ইসলাম নুরুল (বিএনপি)এবং সুনামগঞ্জ-৫ আসনে কলিম উদ্দিন মিলন (বিএনপি) জয় পেয়েছেন।

মৌলভীবাজার-১ আসনে নাসির উদ্দীন মিঠু (বিএনপি), মৌলভীবাজার-২ আসনে শওকতুল ইসলাম শকু (বিএনপি), মৌলভীবাজার-৩ আসনে এম নাসের রহমান (বিএনপি) এবং মৌলভীবাজার-৪ আসনে হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী (বিএনপি) জয়লাভ করেছেন।

হবিগঞ্জ-১ আসনে ড. রেজা কিবরিয়া (বিএনপি), হবিগঞ্জ-২ আসনে ডা. সাখাওয়াত হোসেন হাসান (বিএনপি), হবিগঞ্জ-৩ আসনে জি কে গউছ (বিএনপি) এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনে সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল জয় (বিএনপি) পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এম এ হান্নান (বিএনপি), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ রুমিন ফারহানা (স্বতন্ত্র), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো. খালেদ হোসেন মাহবুব (বিএনপি), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান (বিএনপি), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ মো. আবদুল মান্নান (বিএনপি), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (বিএনপি জোট প্রার্থী-গণসংহতি আন্দোলন)।

কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (বিএনপি), কুমিল্লা-২ মো. সেলিম ভূঁইয়া (বিএনপি), কুমিল্লা-৩ কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ (বিএনপি), কুমিল্লা-৪ হাসনাত আবদুল্লা (এনসিপি), কুমিল্লা-৫ মো. জসীম উদ্দিন (বিএনপি), কুমিল্লা-৬ মনিরুল হক চৌধুরী (বিএনপি), কুমিল্লা-৭ আতিকুল আলম (স্বতন্ত্র), কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের (বিএনপি), কুমিল্লা-৯ মো. আবুল কালাম (বিএনপি), কুমিল্লা-১০ মো. মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়া (বিএনপি), কুমিল্লা-১১ ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মাদ তাহের (জামায়াত)।

চাঁদপুর-১ এহসানুল হক মিলন (বিএনপি), চাঁদপুর-২ মো. জালাল উদ্দিন (বিএনপি), চাঁদপুর-৩ শেখ ফরিদ আহম্মেদ (বিএনপি), চাঁদপুর-৪ মো. আবদুল হান্নান (স্বতন্ত্র), চাঁদপুর-৫ মো. মমিনুল হক (বিএনপি)।

ফেনী-১ মুন্সী রফিকুল আলম (বিএনপি), ফেনী-২ জয়নাল আবদিন (বিএনপি), ফেনী-৩ আবদুল আউয়াল মিন্টু (বিএনপি)।

নোয়াখালী-১ মাহবুব উদ্দিন খোকন (বিএনপি), নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদিন ফারুক (বিএনপি), নোয়াখালী-৩ বরকত উল্লাহ বুলু (বিএনপি), নোয়াখালী-৪ মোহাম্মদ শাহজাহান (বিএনপি), নোয়াখালী-৫ মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম (বিএনপি), নোয়াখালী-৬ আবদুল হান্নান মাসউদ (এনসিপি)।

লক্ষ্মীপুর-১ মো. শাহাদাত হোসেন (বিএনপি), লক্ষ্মীপুর-২ মো. আবুল খায়ের ভূঁইয়া (বিএনপি), লক্ষ্মীপুর-৩ মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (বিএনপি), লক্ষ্মীপুর-৪ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজাম (বিএনপি)।

চট্টগ্রাম-১ নুরুল আমিন (বিএনপি), চট্টগ্রাম-২ ফল ঘোষণা স্থগিত, চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা (বিএনপি), চট্টগ্রাম-৪ ফল ঘোষণা স্থগিত, চট্টগ্রাম-৫ মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন (বিএনপি), চট্টগ্রাম-৬ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (বিএনপি), চট্টগ্রাম-৭ হুম্মাম কাদের চৌধুরী (বিএনপি), চট্টগ্রাম-৮ এরশাদউল্লাহ (বিএনপি), চট্টগ্রাম-৯ মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান (বিএনপি), চট্টগ্রাম-১০ সাঈদ আল নোমান (বিএনপি), চট্টগ্রাম-১১ আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (বিএনপি), চট্টগ্রাম-১২ মোহাম্মদ এনামুল হক (বিএনপি), চট্টগ্রাম-১৩ সরওয়ার জামাল নিজাম (বিএনপি), চট্টগ্রাম-১৪ আলহাজ জসীম উদ্দীন (বিএনপি), চট্টগ্রাম-১৫ শাহজাহান চৌধুরী (জামায়াতে ইসলামী), চট্টগ্রাম-১৬ মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী)।

কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমদ (বিএনপি), কক্সবাজার-২ আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ (বিএনপি), কক্সবাজার-৩ লুৎফুর রহমান কাজল (বিএনপি), কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী (বিএনপি)।

খাগড়াছড়ি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা (বিএনপি)। রাঙ্গামাটি দীপেন দেওয়ান (বিএনপি)। বান্দরবান সাচিং প্রু জেরী (বিএনপি)।